Ticker

6/recent/ticker-posts

কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা



 কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

কলা হচ্ছে একটি বারোমাসি ফল অর্থাৎ এই ফল বছরের সবসময়ই পাওয়া যায়। এই ফল পৃথিবীর দশটি দেশে উৎপাদিত হয়ে থাকে এবং এটি পৃথিবীর চতুর্থ অর্থকারী ফসল হিসেবে পরিচিত। অন্যান্য যত ধরনের ফল রয়েছে তার মধ্যে কলা সব থেকে বেশি খাবার হিসেবে গ্রহণ করা হয়ে থাকে। অনেকেই কলা সকালে ব্রেকফাস্টের সাথে খেতে পছন্দ করে থাকে।  এই ফল খুব দ্রুতই খাওয়া যায় এবং কলা খুবই সহজলভ্য একটি ফল। কলাতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। আজকে আমরা কলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।


সূচিপত্র

  1. কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
  2. কলার পুষ্টিগুণ সমূহ 
  3. কলা খাওয়ার উপকারিতা সমূহ 
  4. কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা
  5. কলার খোসা দিয়ে রূপচর্চা
  6. কলা খাওয়ার অপকারিতা সমূহ

কলার পুষ্টিগুণ সমূহ 

বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি ফল হচ্ছে কলা। কলাতে পুষ্টিগুণের পরিমাণ অধিক। একটি মাঝারি মাপের কলাতে ১১০ কেলোরি পাওয়া যায়। তাছাড়া কার্বোহাইড্রেট থাকে প্রায় ৩০ গ্রাম। প্রোটিন থাকে এক গ্রাম। তবে কলাতে কোন ধরনের ফ্যাট থাকে না।এছাড়াও একটি মাঝারি মাপের কলাতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি , ভিটামিন সি, আয়রন ,রিবোফ্লাবিন , ম্যাঙ্গানিজ ,নায়াসিন , ফুলেট ,আঁশ , পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, মিনারেল, ফাইবার, খনিজ পদার্থ ইত্যাদি। কলাতে এতসব পুষ্টিগুণ বৃদ্ধমান থাকার কারণে কলাকে প্রাকৃতিক মাল্টিভিটামিনও বলা হয়।


কলা খাওয়ার উপকারিতা সমূহ 

  • হৃদ রোগের ক্ষেত্রে একটি মাঝারি সাইজের কলাতে প্রায় ৪০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম পাওয়া যায় আর পটাশিয়াম আমাদের হৃদযন্ত্রকে ভালো রাখতে অনেক সাহায্য করে থাকে। তাই আপনার হৃদ রোগের ঝুঁকি কমানোর জন্য নিয়মিত কলা খেতে পারেন।
  • কোষ্ঠকাঠিন্যের ক্ষেত্রে কলাতে রয়েছে পেকটিন নামক এক ধরনের ফাইবার ,যা আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের মত সমস্যাগুলোকে দূর করে থাকে। তাই যাদের মধ্যে কোষ্ঠ কাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তারা প্রতিদিন সকালে একটি করে কলা খেতে পারেন। তাতে আপনার কোষ্ঠ কাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। 
  • শরীরের হাড় শক্ত রাখার ক্ষেত্রে কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম।  আর এইসব পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম আমাদের শরীরের হাড়কে অনেক বেশি পরিমাণে শক্ত রাখতে সাহায্য করে। 
  • হজম প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে একটি মাঝারি আকারের কলাতে রয়েছে তিন গ্রাম ফাইবার। আর এই ফাইবার আমাদের পেট কে পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি হজমেও  অনেক বেশি সাহায্য করে থাকে। আমাদের হজমের প্রক্রিয়াকে দ্রুত করতে কলা অনেক বেশি সাহায্য করে। 
  • ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখার ক্ষেত্রে অনেকে মনে করে থাকে যে কলা খেলে ওজন বৃদ্ধি পায়। এই ধারণাটি নিয়ে যদিও অনেকের মাঝে দ্বিধাদন্দ রয়েছে। তবে এই ধারণাটি ভুল। কলা খেলে ওজন বাড়েনা বরং  ওজনকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করে। কারণ কলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের শরীরে নানা উপকার সাধন করে থাকে। 
  • হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের ক্ষেত্রে কলা আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সাহায্য করে। কারণ কলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। আর এই আয়রন আমাদের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কে অনেক বেশি পরিমাণে বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। আর আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ার সাথে সাথে আনিমিয়া হওয়া সম্ভাবনাও অনেক কমিয়ে দেয়। এমনকি এনিমিয়া হলে ইটা কমাতেও অনেক সাহায্য করে থাকে কলা। 
  • উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যার ক্ষেত্রে কলার  মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আর নুনের পরিমাণ খুবই সামান্য। আর এই দুটি কারণে যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারা রোজ কলা খেতে পারেন। 
  • ত্বকের যত্নে আমাদেরকে যখন মশা কামড়ায় তখন শরীরের যে অংশে মশা কামড়ায় সেই অংশটা লাল হয়ে ফুলে ওঠে। তখন আমরা অনেকেই ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য ক্রিম বা এন্টি সেপটিক ব্যবহার করে থাকি। যদি আমরা ক্রিম বা এন্টি সেপটিক ব্যবহার না করে শরীরে কামড়ানো অংশে  কলার খোসা ঘষে নেই তাহলে শরীরের মশা কামড়ানোর অংশটিতে ফুলে ওঠা কমে যায়।
  • আলসারের সমস্যার ক্ষেত্রে আলসারের সমস্যা দূর করতে পারে কলা।  কলা নরমমিহি হওয়ায় আমাদের পেটে সমস্যার ক্ষেত্রে খুবই উপকারী একটি খাবার। পেটের রোগে ক্ষেত্রে  একমাত্র ফল যা আমরা নিশ্চিন্তে খেতে পারি। আলসার হলে সেই সময় কলা খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের পেটের অস্বস্তিকে কমিয়ে দিয়ে আরামদায়ক অনুভূতি দেয়। 
  • শিশুদের ব্লাড ক্যান্সারের ক্ষেত্রে একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে শূন্য থেকে দুই বছরের শিশুদেরকে প্রতিদিন নিয়ম করে যদি একটি করে কলা খাওয়ানো হয়, তাহলে লিউকেমিয়া নামক ব্লাড ক্যান্সার নিরাময়ে ক্ষেত্রে খুবই সাহায্য করে থাকে কলা। 
  • স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কলার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম আমাদের মনোযোগ শক্তি বৃদ্ধিতে অনেক বেশি সহায়তা করে। তাই নিয়মিত কলা খাওয়ার মাধ্যমে আপনি আপনার স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে নিতে পারেন। 
  • শর্করা গঠনের ক্ষেত্রে কলাতে রয়েছে ৬ ধরনের ভিটামিন। যা মানবদেহের শরীরে রক্তে শর্করা গঠনের কাজের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সাহায্য করে। 
  • সন্তান সম্ভাবনা নারীর ক্ষেত্রে সন্তান সম্ভবা নারীদের জন্য কলা খাওয়া খুবই উপকারী। কেননা এই কলা সকালবেলা দুর্বলতা কাটাতে খুবই সাহায্য করে থাকে এবং রক্তের শর্করা সামঞ্জস্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সহায়তা করে।


কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা

  • ওজন কমানোর ক্ষেত্রে যেসব ব্যক্তিরা ওজন কমাতে চান তাদেরকে নিয়মিত একটি করে কলা খাওয়ার জন্য উপদেশ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। কাঁচা কলা হচ্ছে ফাইবার সমৃদ্ধ যা অপ্রয়োজনীয় ফ্যাক্টসেল এবং অমেধ্য পরিষ্কার করতে অনেক বেশি সহায়তা করে। তাই আপনি আপনার ওজনকে কমানোর জন্য নিয়মিত একটি করে কাঁচা কলা খেতে পারেন। 
  • কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার উপসমের ক্ষেত্রে কাঁচা কলায় যে সমস্ত ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর স্টাচ রয়েছে তা আমাদের অন্ত্রের কোন প্রকার অশুদ্ধ জিনিস থাকতে দেয় না। এরকম পরিস্থিতিতে আপনি যদি প্রায়ই কোষ্ঠকাঠিন্যের মত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে কাচা কলা খাওয়া আপনার জন্য অনেক বেশি উপকারী হবে। 
  • ক্ষুদা শান্ত করার ক্ষেত্রে কাঁচা কলায় যেসব ফাইবার রয়েছে এবং পুষ্টিগুণ রয়েছে তা আমাদের ক্ষুদাকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে কাজ করে থাকে।  কাঁচা কলা খাওয়ার ফলে আমাদের মাঝে ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমে যায় এবং আমরা আমাদের আশেপাশের জাঙ্ক ফুড এবং অন্যান্য অস্বাস্থকর জিনিস খাওয়া থেকে মুক্তি পেয়ে থাকি। 
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপনি যদি ডায়াবেটিসের রোগী হয়ে থাকেন এবং এটা যদি প্রাথমিক স্তরে থাকে, তাহলে আপনি নিয়মিত একটি করে কাঁচা কলা খাওয়া শুরু করুন। কারণ কাঁচা কলা আপনার ডায়াবেটিস কে নিয়ন্ত্রণে রাখে। 
  • ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে কাঁচা কলা মধ্যে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম বিদ্যমান, যা আমাদের শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে না বরং সারাদিন আমাদের শরীরকে সক্রিয় রাখার ক্ষেত্রেও সহায়তা করে। কাঁচা কলাতে উপস্থিত ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন সি আমাদের দেহের কোষের পুষ্টিযোগাতে কাজ করে থাকে। 
  • পেটের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করার ক্ষেত্রে কাঁচা কলা হচ্ছে একটি আঁশযুক্ত সবজি। যা আমাদের পেটে গিয়ে খুব সহজেই হজম হয়ে যায়। কাঁচা কলা আমাদের পেটের ভিতরে থাকা খারাপ ব্যাকটেরিয়া গুলোকে দূর করে দেয়। তবে পেট ফোলার সমস্যা যদি থেকে থাকে তাহলে কাঁচা কলা না খাওয়াই ভালো। 
  • ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে কাঁচা কলা কাঁচা গলায় থাকে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম, যা আমাদের ডায়রিয়া এবং পেটের নানা ধরনের ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। তাই অনেক সময় চিকিৎসকগণ ডায়রিয়া হলে কাঁচা কলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।


কলার খোসা দিয়ে রূপচর্চা

আমরা এতক্ষণ কলার নানা ধরনের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জেনেছি। তবে আমরা অনেকেই কলার খোসা দিয়ে রূপচর্চা করার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নাই। কলার খোসা আমাদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে অনেক বেশি উপকার করে থাকে। চলুন আজকে আমরা কলার খোসা দিয়ে কি কি রূপচর্চা বা কিভাবে রূপচর্চা করা যায় তার সম্পর্কে জেনে নেই। 

  • ব্রণ দূর করার ক্ষেত্রে আমাদের মুখে হওয়া ছোট ছোট ব্রণকে তাৎক্ষণিকভাবে দূর করতে সাহায্য করে কলার খোসা। কলার খোসার ভেতরের যে অংশটি রয়েছে তা দিয়ে ব্রণের উপর কিছুক্ষণ ঘষতে থাকুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন ব্রণ মিলিয়ে গেছে। 
  • পোকামাকড়ের কামড় আমাদের শরীরে অনেক সময় মশা বা পোকামাকড় কামড়ে আমাদের ত্বককে ফুলিয়ে ফেলে বা জ্বলনীর মত অবস্থা তৈরি হয়। এই সময় কলার খোসার যে ভিতরের অংশটা রয়েছে তা আক্রান্ত স্থানে ঘষতে থাকুন। দেখবেন জ্বলুনি বা চুলকানি অথবা ফোলা ভাব অনেক কমে গেছে। 
  • ঠোঁটের যত্নে ঠোঁটের যত্নে গলার খোসা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই কালার খোসা ভালোভাবে ঠোঁটে ঘষে নিলে ঠোঁটের আদ্রতা বাড়ে। লিপ বা বাম লাগানোর ফলে ঠোঁট যেমন চকচক করে ঠিক তেমনি কলার খোসা ঘষে নিলে এরকম চকচক করে। 
  • আঁচিল দূর করার ক্ষেত্রে যাদের ঘন ঘন আঁচিল হওয়ার মত সমস্যা রয়েছে তারা কলার খোসা থেকে উপকার পেতে পারেন। আঁচিলের উপর কলার খোসার যে সাদা অংশটি রয়েছে তা ঘষতে থাকুন। তারপর এক টুকরা খোসা  আঁচিলের উপর চাপা দিয়ে গজ ব্যান্ডেজ করে মোরে দিন।  কিছুদিন এরকম ভাবে করলে আপনার শরীর থেকে চিরতরে আঁচিল বিদায় নিবে। 
  • চোখের কালি দূর করতে আপনার চোখের নিচে যদি কালি থাকে এবং কিছুতেই না কমে তাহলে এক টুকরো কলার খোসা কেটে ফ্রিজে রেখে দিন। তারপর রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে খোসা গুলো বের করে চোখের উপরে বসিয়ে দিন। কয়েক দিন টানা এরকম ভাবে ব্যবহার করলে বেশ ভালো ফল পাবেন।
  • দাঁতের যত্নে কলার খোসা আমাদের দাঁতে যেসব ব্যাকটেরিয়া রয়েছে তাদের সাথে লড়াইয়ের ক্ষমতা রাখে কলার খোসা।  তাই দাঁতের সমস্যা হলে কলার খোসা এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।  মাড়ি কিংবা দাঁতে যদি দাগ অথবা ছোপ থাকে তাহলে দিনে কয়েকবার কলার খোসা ঘষতে পারেন। সপ্তাহখানেকের মধ্যে আপনার দাঁত ঝকঝকে সাদা দেখাবে।


কলা খাওয়ার অপকারিতা সমূহ

আমরা এতক্ষণ কলার বিভিন্ন পুষ্টিগুণ এবং কলা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জেনেছি। কলার যেমন রয়েছে অধিক পরিমাণে পুষ্টিগুণ ,পাশাপাশি কিছু এর ক্ষতিকর দিক রয়েছে। আমাদের সবারই এই ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে জ্ঞান থাকা উচিত।  চলুন কলা খাওয়ার উপকারিতা সমূহ জেনে নেওয়া যাক। 

  • কলাতে থাকে প্রচুর পরিমাণে শর্করা। আর যার ফলে অতিরিক্ত পরিমাণে কলা খাওয়ার ফলে দাঁতের ক্ষতি হয়। 
  • বেশি কলা খাওয়ার ফলে স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা ভিটামিন বি বেসিক বেশি খাওয়ার প্রভাবে এই ক্ষতিগুলো হয়ে থাকে। আর কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি। 
  • কলা খাওয়ার ফলে অনেকেরই এলার্জির মত সমস্যায় ভুগতে পারে। আর এই এলার্জির কারণে ঠোঁট ফুলে যাওয়া, গলা জ্বালা করা ইত্যাদির মত সমস্যা হতে পারে। 
  • কলাতে রয়েছে অধিক পরিমাণে শর্করা। আর এই শর্করার পরিমাণ অতিরিক্ত হওয়ার কারণে পেটে ব্যথা হতে পারে। 
  • কলাতে বেশি মাত্রায় সুগার থাকার ফলে অতিরিক্ত কলা খাওয়ার কারণে ডায়াবেটিস হতে পারে। 
  • টাইরামাইল নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে কলাতে ,যা মাইগ্রেন হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই যাদের মাইগ্রেনের মত সমস্যা রয়েছে তারা যতটা সম্ভব কলা কে এড়িয়ে চলবেন। 
  • এছাড়া কিডনিতে যাদের সমস্যা রয়েছে তারাও কলা থেকে দূরে থাকায় শ্রেয়।


আমাদের দেহের শক্তি যোগাতে এবং সারা দিনের পরিশ্রমী শরীরের ক্লান্তি দূর করার ক্ষেত্রে কলা একটি অত্যন্ত উপকারী ফল। সারাদিন পরিশ্রম করার শেষে একটি কলা খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের শরীরের ক্লান্তি দূর হয়ে যেতে পারে। আর এই কলা যেহেতু অত্যন্ত সহজলভ্য ও সস্থা এবং হাতের কাছে সহজে পাওয়া যায় ,তাই আপনার দৈনিক পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি খিদেও মেটাতে সক্ষম কলা।


x

Post a Comment

0 Comments